📝 নিজস্ব সংবাদদাতা, Todays Story:প্রসঙ্গত, বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্রে শুভেন্দুর কাছে ১৫,১০৫ ভোটে হেরে যান মমতা। মমতার আইনজীবী কল্যাণের দাবি, ভবানীপুরে ভোটে কারচুপি করা হয়েছে। যা কারচুপি হয়েছে, তা মূলত গণনার দিন হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তিনি এ-ও দাবি করেন যে, কাউন্টিং এজেন্টকে মারধর করে বার করে দেওয়া হয় গণনাকেন্দ্র থেকে। এমনকি, মামলাকারী তথা ভবানীপুরের তৃণমূলপ্রার্থী মমতাকেও ঢুকতে দেওয়া হয়নি গণনাকেন্দ্রে। কারচুপির অভিযোগ করতে গিয়ে ২০২১ সালে নন্দীগ্রামের ভোটের প্রসঙ্গও তোলেন কল্যাণ। তাঁর দাবি, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে যিনি রিটার্নিং অফিসার ছিলেন, তাঁকেই এ বার ভবানীপুরে রিটার্নিং অফিসার করা হয়েছিল। গত বার নন্দীগ্রামেও কারচুপি হয়েছিল। তা নিয়ে নির্বাচনী পিটিশন দাখিল হয়েছিল। শুনানিতে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) তথা বর্তমান মুখ্যসচিব মনোজ অগ্রবালের কথাও তুলেছিলেন কল্যাণ। তিনি বলেছিলেন, ‘‘নির্বাচন শেষ হওয়ার পর পরই সিইও-কে মুখ্যসচিব করা হয়। এমনকি, এক
ভবানীপুর নির্বাচন মামলা: কারচুপির অভিযোগের লিখিত জবাব দেওয়ার জন্য বৃহস্পতি পর্যন্ত সময় শুভেন্দুকে

