📝 নিজস্ব সংবাদদাতা, Todays Story: এলাকার কাউন্সিলর ডি বাসন্তী জানান, গুলিবিদ্ধ ছাত্রটি রেলের স্বাস্থ্য দফতরের এক কর্মীর পুত্র। তিনি বলেন, ‘‘আমি খবরটা পেয়ে রেল হাসপাতালে যাই। দুষ্কৃতীরা দুটো গুলি চালিয়েছিল বলে জানতে পারছি। একটি গুলি লেগেছে নাবালকের বুকের বাঁ দিকে। যে সময় অক্ষয় গুলিবিদ্ধ হয়, ঠিক তখনই নম্বরপ্লেট বিহীন স্কুটিতে করে দু’জন যাচ্ছিলেন।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘আমার মনে হচ্ছে, লক্ষ্য ছিল প্রসাদের পুত্র সাগর কুমারকে গুলি করার। সাগর অক্ষয়ের বন্ধু। দু’জনে টিফিল খেতে বেরিয়েছিল। আর শ্রীনু নাইডু গ্রুপের লোক ছিল প্রসাদ। বছর কয়েক আগে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় প্রসাদের। শ্রীনুও মারা গিয়েছিল গুলিতে।’’
অন্য দিকে, পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা বলেন, ‘‘দুটো ‘গ্রুপ’ রয়েছে ওখানে। তাদের মধ্যেই গুলি চালানোর একটা ঘটনা ঘটেছে। ইতিমধ্যে পাঁচ জনকে আটক করা হয়েছে। পুলিশের সাতটি দল তৈরি করা হয়েছে। এলাকার সমস্ত সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হচ্ছে।’’

