ছোট লালবাড়িতেও আর নিয়ন্ত্রণ নেই তৃণমূলের! ববি মেয়র পদ ছাড়তে চান, হাকিমের ‘সম্মান রক্ষায়’ সম্মতি মমতার, জানালেন কুণাল

📝 নিজস্ব সংবাদদাতা, Todays Story: বুধবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ডাকে প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিতে তৃণমূলের বেশ কয়েক জন বিধায়ক নবান্নে গিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন কলকাতা বন্দরের বিধায়ক ফিরহাদও। সেখান থেকে ফিরেই মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন বলে তৃণমূলের একটি সূত্রে খবর। বিধায়ক কুণাল জানান, পুরসভায় এই মুহূর্তে কাজ করা যাচ্ছে না। সেটাই তৃণমূলনেত্রী মমতাকে গিয়ে জানিয়েছিলেন ফিরহাদ। কুণালের কথায়, ‘‘নেত্রী বারণ করেছিলেন। কিন্তু ফিরহাদ জানান, সম্মানের সঙ্গে নিষ্কৃতি চান তিনি। এর পরে মমতা সম্মতি দিয়েছেন।’’

২০১৮ সালের নভেম্বরে রাজ্যের তৎকালীন নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ কলকাতার মেয়র হন। বস্তুত, ১৮৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত কেএমসি-র প্রথম মুসলমান মেয়র হয়েছিলেন তিনি। তার পর ২০২১ সালে দ্বিতীয় বার মেয়রের আসনে বসেন কলকাতা বন্দর কেন্দ্রের বিধায়ক তথা কলকাতার ৮২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। প্রায় আট বছর মন্ত্রিত্ব এবং মেয়র পদ সমানতালে সামলানোর পর বুধবার আচমকা ইস্তফা দিলেন ফিরহাদ। মঙ্গলবারই কলকাতা পুরনিগমের মেয়র পারিষদ (নিকাশি) পদ ছাড়েন তারক সিংহ। তিনি আবার ফিরহাদকে নিশানা করেছেন। তৃণমূলের প্রতীকে আর ভোটে না দাঁড়ানোর ঘোষণা করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর প্রশংসা করেছেন। তারকের কথায়, ‘‘কর্মী এবং সমর্থকদের কোনও ভাবে সুরক্ষা দিচ্ছেন না দলীয় নেতৃত্ব। যে কারণে ওই ঠান্ডা ঘরে বসে জ্ঞানের বাণী শোনার তাঁর কোন সদিচ্ছা নেই।” তারকের ইস্তফার পর ফিরহাদ বলেছিলেন, ‘‘আমরা একটা টিম হিসাবে কাজ করি। যা করব একসঙ্গেই করব।’’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *