📝 নিজস্ব সংবাদদাতা, Todays Story: এই বিলের সঙ্গেই পেশ হতে চলেছে ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল মেনটেন্যান্স অফ পাবলিক অর্ডার ১৯৭২’ আইনের সংশোধনী বিল।
এই সংশোধনী বিলকেই আইনে পরিণত করে যে কোনও সরকারি ও বেসরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর এবং ধ্বংসের ঘটনায় অভিযুক্তদের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের রাস্তা তৈরি করছে সরকার।
রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরেই মুখ্যমন্ত্রী আভাস দিয়েছিলেন সংগঠিত সমাজবিরোধী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে কঠোর আইন আনা হবে। বিধানসভায় রাজ্যপালের ভাষণের ধন্যবাদসূচক বক্তব্যে তিনি জানিয়ে দেন, চলতি অধিবেশনেই এই আইন আনা হচ্ছে। কলকাতা গেজেটের বিশেষ সংখ্যায় প্রকাশিত বিলটিতে বলা হয়েছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সংগঠিত সমাজবিরোধী কার্যকলাপের উপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করাই এই আইনের লক্ষ্য।
ভারতীয় ন্যায়সংহিতার সমাজবিরোধী কার্যকলাপ বিরোধী বিভিন্ন ধারার থেকে এই আইনকে আলাদা করেছে মূলত দু’টি অংশ।
এক, কোনও ব্যক্তি জনসাধারণের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বিপজ্জনক বলে চিহ্নিত হলে এই আইনবলে তাঁকে এক বছর পর্যন্ত প্রতিরোধমূলক আটক (প্রিভেনটিভ অ্যারেস্ট) করে রাখা যাবে।
দুই, এই আইনের সঙ্গে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার উপযুক্ত ধারা প্রয়োগ করে এই ধরনের অপরাধের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার সংস্থান থাকছে সরকারের হাতে।

