আর ‘ধাম’ নয় দিঘার জগন্নাথ মন্দির! ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রীর আর্জি নিয়ে এলেন পুরীর সাংসদ, রাজি শুভেন্দু, ইতি পড়ল বিতর্কে

📝 নিজস্ব সংবাদদাতা, Todays Story: শুভেন্দু বলেন, ‘‘ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী পুরীর সাংসদ সম্বিতকে পাঠিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, সকলেই চান পুজোপাঠ হোক। কিন্তু ধাম শব্দ সনাতন সংস্কৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।’’ তার পরেই শুভেন্দু বলেন, ‘‘বিতর্ক আগেই ছিল। ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রীর প্রস্তাব গ্রহণ করে দিঘার ওই ক্যাম্পাস থেকে ধাম শব্দ সরিয়ে দিচ্ছি।’’ নতুন নাম কী হবে, তা-ও জানিয়েছেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, ‘‘পুরো কমপ্লেক্সের নাম হবে শ্রী শ্রী জগন্নাথ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। যে হেতু তাতেই মন্ত্রিসভার অনুমোদন রয়েছে, হিডকোর টেন্ডার রয়েছে, সরকারি অর্থ হয়েছে। যেখানে ঠাকুরের পুজোপাঠ হয়, সেই স্থাপত্য মন্দির নামেই পরিচিত হবে। শ্রী জগন্নাথ দেব মন্দির নামে পরিচিত হবে।’’ মুখ্যমন্ত্রী এ-ও জানান, দিঘার মন্দিরে পুজোপাঠ ভারতীয় সংস্কৃতি, শাস্ত্রে জগন্নাথ দেবের পুজোপাঠের নিয়ম মেনে হবে। মন্দিরের পুরো এলাকাতেই সাত্ত্বিক ভাবে পুজো হবে। প্রসাদ হবে। পরিচালন ট্রাস্ট কমিটির বিষয়েও জানিয়ে দেওয়া হবে। ওয়েবাসাইটেও দেওয়া হবে।

দিঘা জগন্নাথ মন্দিরের ট্রাস্টি ও প্রধান পুরোহিত রাধারমণ দাস বলেন, ‘‘আমরা মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর এই সিদ্ধান্তকে আন্তরিক ভাবে স্বাগত জানাই। এই বিষয়টি নিয়ে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী ব্যক্তিগত ভাবে আমার সঙ্গে আলোচনা করেছিলেন এবং আমরা অত্যন্ত আনন্দিত যে এখন থেকে এই মন্দির ‘দিঘা জগন্নাথ মন্দির’ নামে পরিচিত হবে।”

দিন কয়েক আগে শুভেন্দু মায়াপুরের ইস্কন মন্দিরে গিয়েছিলেন। তিনি জানান, সেখানে রাধারমণের সঙ্গে দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের নাম পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের পুজোর দায়িত্বে রয়েছে ইস্কন। তার পরেই পূর্বতন তৃণমূল সরকারের সমালোচনা করে শুভেন্দু বলেন, ‘‘মন্দিরের নামে ধাম লেখা ঠিক হয়নি। কাগজপত্র দেখেছি, কালচারাল সেন্টার হিসাবে গড়েছিল। দ্রুত ধাম শব্দ অপসারণ করব। সনাতন সংস্কৃতিতে যে অপমান আগের সরকার করেছে, এই সরকার তা করবে না।’’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *