📝 নিজস্ব সংবাদদাতা, Todays Story: শুধু পুজোমণ্ডপ লাগোয়া স্টল নয়, মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে এসেছে পত্রপত্রিকার ‘শারদসংখ্যা’ প্রসঙ্গও। তাঁর ইঙ্গিত, অনেক ক্ষেত্রেই ‘পুজোসংখ্যা’ শব্দটি পরিহার করা হয়। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য প্রসঙ্গে সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম বলেন, ‘‘উনি জানেন না, বাংলায় দু’টো শব্দ আছে— লক্ষ্য আর উপলক্ষ। দুর্গাপুজো উপলক্ষে নানা ক্ষেত্রের মানুষ নানা লক্ষ্যে ধাবিত হন। কেউ ম্যাগাজ়িন করেন, কেউ গানের অ্যালবাম করেন, কেউ অন্য শিল্পকলার প্রদর্শন করেন। সবটা মিলিয়েই এটা হয়ে ওঠে উৎসব। মুখ্যমন্ত্রী বোধহয় জানেন না, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলে কেউ ছিলেন, তিনি শারদোৎসব লিখেছিলেন। আজকের মুখ্যমন্ত্রীর গুরুমা অর্থাৎ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নিদান দিয়েছিলেন, লাইব্রেরিতে কী বই রাখা হবে। ইনি লেখার বয়ান নিয়ে ফতোয়া দিচ্ছেন পুজো কমিটিগুলিকে। বহুত্ববাদী চিন্তাকে ধ্বংস করার পথে যেতে চাইছেন। লড়াই হবে।’’
শুভেন্দু বৃহস্পতিবার বিধানসভার অভিযোগ করেন, ৩৪ বছরের বাম জমানায় তৎকালীন শাসকদলের নেতাদের পরিবারের সদস্যেরা বেআইনি ভাবে চাকরি পেয়েছেন। এ প্রসঙ্গে সিপিএম কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী বলেন, ‘‘আজকের মুখ্যমন্ত্রী যে স্কুলের ছাত্র, সেই স্কুলের প্রিন্সিপাল ছিলেন আগের মুখ্যমন্ত্রী। ১৫ বছরে অন্তত এ নিয়ে দেড়শবার ফাইল খোলার হুমকি দিয়েছিলেন। পারেননি। ইনিও বলছেন। পারবেন না। বিধানসভায় দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী যে ভাষায় কথা বলছেন, সেটা সুষ্ঠু গণতন্ত্রের লক্ষণ নয়।’’

