📝 নিজস্ব সংবাদদাতা, Todays Story: বর্তমান ডিজিটাল যুগে নতুন ফরম্যাটে গল্প বলার প্রবণতা ক্রমশ বাড়ছে। সেই ধারাকেই আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে এল নতুন ভার্টিক্যাল ড্রামা সিরিজ ‘ফেয়ারি খেল’। Soul Scenes প্রোডাকশনের এই সিরিজটি পরিচালনা করেছেন দীপঙ্কর দে। সিরিজে অভিনয় করেছেন শ্যামৌপ্তি, ঐন্দ্রিলা বসু ও ঐশ্বর্য, সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় রয়েছেন ঋষভ চক্রবর্তী ও সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায়।
এই সিরিজের মূল ভাবনা প্রসঙ্গে ঐন্দ্রিলা বসু জানান,
“‘ফেয়ারি খেল’ নামটার মধ্যেই একটা ম্যাজিক আছে। গল্পে পাঁচজন চরিত্র—যারা ঘটনাচক্রে একে অপরের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। তাদের জীবনে এমন কিছু পরিবর্তন আসে, যার ফলে অনেক অমীমাংসিত বিষয়ের সমাধান হয়ে যায়—এই নিয়েই আমাদের গল্প। ঝগড়া, ভালোবাসা, খুনসুটি, বিচ্ছেদ—সবকিছুর সঙ্গে অল্প ম্যাজিক মিশিয়ে তৈরি হয়েছে এই সিরিজ।”
তিনি আরও বলেন,
“এই প্রজেক্টটা আমাদের কাছে একেবারেই নতুন অভিজ্ঞতা। আমরা সবাই মিলে গল্পটা তৈরি করেছি এবং মাত্র দু’দিনে ১০টি এপিসোডের শুটিং সম্পন্ন করেছি, যা সত্যিই বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। তবে বন্ধুদের ভালোবাসা এবং টিমের ডেডিকেশনেই আমরা সেটা সম্ভব করতে পেরেছি। এটা আমাদের নিজের প্রোডাকশন—একটা নতুন শুরু, যেন আমাদের নিজের একটা ‘নিউবর্ন বেবি’।”
শ্যামৌপ্তি বলেন,
“এটা ভীষণ মনের কাছের একটা কাজ, কারণ আমরা তিনজনই বহুদিনের বন্ধু। অনেকদিন ধরেই ভাবছিলাম একসাথে কিছু করব। এই প্রজেক্টের মাধ্যমে অভিনয়ের বাইরে গিয়েও নিজেদের এক্সপ্লোর করার সুযোগ পেয়েছি—কস্টিউম ডিজাইন, সেট, এডিট—সবকিছুতেই আমরা নিজেদের মতো করে কাজ করেছি। আমি আমার চরিত্র নিয়ে খুবই এক্সাইটেড, কারণ এবার আমাকে একেবারেই অন্যরকমভাবে দেখা যাবে।”
ঐশ্বর্য জানান,
“‘ফেয়ারির খেল’ আমার কাছে দারুণ একটা অভিজ্ঞতা। বন্ধুদের সঙ্গে কাজ করলে একটা আলাদা পজিটিভিটি থাকে, আর এই প্রজেক্টে সেটা পুরোপুরি ছিল। প্রথমে একটু দ্বিধা ছিল, কিন্তু ঐন্দ্রিলার ভাবনা ও সাহস আমাদের সেই দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করেছে। গল্পটা শোনার পর থেকেই আমার মনে হয়েছিল—এই কাজটা করতেই হবে। অনেক বাধা পেরিয়ে আমরা কাজটা শেষ করেছি, এবার বাকিটা দর্শকদের হাতে।”
উল্লেখযোগ্যভাবে, এই সিরিজে ঋষভ চক্রবর্তী ও সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায় গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন, যা গল্পকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।
বন্ধুত্ব, সম্পর্ক, আবেগ এবং এক চিমটি ম্যাজিক—সব মিলিয়ে ‘ফেয়ারির খেল’ দর্শকদের জন্য নিয়ে আসছে এক নতুন অভিজ্ঞতা। নির্মাতাদের আশা, এই ভার্টিক্যাল ড্রামা সিরিজটি দর্শকদের মন ছুঁয়ে যাবে এবং ডিজিটাল কনটেন্টে এক নতুন দিশা দেখাবে।

