📝 নিজস্ব সংবাদদাতা, Todays Story: গত ২৬ অগস্ট নেপাল-তিব্বত সীমান্তে হিমবাহ ধসের ফলে তীব্র ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল। রিখটার স্কেলে তার মাত্রাও ৫ ছাড়িয়ে গিয়েছিল। তার পরেই নদীর জলস্তর বেড়ে যায়। ভোটেকোশী নদীতে হড়পা বান এসে ভাসিয়ে নিয়ে যায় উপত্যকার লোকালয়। কাদামাটি এবং জলের প্রবল স্রোত ছুটে এসেছিল পাহাড় বেয়ে। ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, সেতু সব ভেসে গিয়েছে। নেপালে এখনও ৪২১৬ জন নিখোঁজ। দেহ উদ্ধার করা হয়েছে ১২৫২টি। এখনও উদ্ধারকাজ শেষ হয়নি। দেহ শনাক্তের আগেই গণকবর দিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছে সরকার। এই পরিস্থিতি ফের তৈরি হতে পারে? আশঙ্কা ছিলই। হিমালয়ের পরিস্থিতি বিবেচনা করে চিনের বিজ্ঞানীরা সতর্ক করেছিলেন। নতুন ভূমিকম্পে তাই আশঙ্কা বেড়েছে।
বিজ্ঞানীদের দাবি, হিমালয়ের খাঁজে খাঁজে হিমবাহ ধসের ফলে অনেক ছোট-বড় গর্ত, অস্থায়ী হ্রদ তৈরি হয়ে গিয়েছে। তাতে জল জমছে গ্যালন গ্যালন। কোনও ভাবে সেই বাধ ভেঙে গেলেই ফের জল তেড়ে আসবে নিচু উপত্যকার দিকে। সে ক্ষেত্রে ফের ঘটতে পারে বিপর্যয়।

