📝 নিজস্ব সংবাদদাতা, Todays Story:বড়মার পুজোকে কেন্দ্র করে শনিবার থেকেই জনজোয়ারে ভাসছে নৈহাটি শহর। বড়মার দর্শন পেতে কাতারে কাতারে মানুষ আসতে শুরু করেছেন নৈহাটিতে। পুন্যার্থীদের ভিড়ে কার্যত স্তব্ধ হতে বসেছে গোটা শহর। আজ, রবিবার কালীপুজোর দিন সেখানে রেকর্ড ভিড়ের আশঙ্কা করছে প্রশাসন।দর্শনার্থীদের ভিড়ে গঙ্গার ধার থেকে বড়মার মণ্ডপ পর্যন্ত মাত্র ৩০০ মিটারের পথ পেরোতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে। শনিবার কাকভোরে বড়মার চক্ষুদান সম্পন্ন করে শিল্পী শুভেন্দু সরকার। রাত বাড়তেই মাকে সাজিয়ে তোলা হয় ঐতিহ্যবাহী অলঙ্কারে। রবিবার মধ্যরাতে হবে মূল পুজো। রাত দেড়টায় হবে পুষ্পাঞ্জলি। তার আগেই ভক্তরা মন্দিরে আসতে শুরু করেছেন। কেউ গঙ্গার ঘাট থেকে মণ্ডপ পর্যন্ত দণ্ডি কাটছেন। কেউ আবার মায়ের কাছে মায়ের কাছে মন দিয়ে প্রার্থনা করছেন।শান্তিপুরের রাস দেখে ২১ ফুটের এই সুবিশাল কালীপুজোর সূচনা করেছিলেন ভবেশ চক্রবর্তী, যার জনপ্রিয়তার গ্রাফ দিনকে দিন বেড়েই চলেছে। কলকাতা চোরবাগানের ঘটনার পর বড়মার পুজোয় ভিড় সামলানো পুলিশের সামনে এখন সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ। পরিস্থিতি সামাল দিতে অরবিন্দ রোড ও আরবিসি রোডে গাড়ি চলাচল পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। ঘোষপাড়া রোডের ওই অংশে বন্ধ রাখা হয়েছে বাস চলাচল। দর্শনার্থীদের সুবিধার জন্য বিশেষ রুট ম্যাপ বের করেছে পুলিশ। যাঁরা ব্যারাকপুরের দিক থেকে আসবেন, তাঁরা ৭৩ নম্বর বাসস্ট্যান্ড থেকে বাদিকে ঘুরে স্বপ্নবীথি পার্ক হয়ে বড়মার দর্শন করতে পারবেন। তাঁরা স্টেশন রোড দিয়ে বেরোবেন। আর যাঁরা কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে কিংবা হালিশহরের দিক থেকে আসবেন, তাঁরা পুরসভার সামনে দিয়ে জান মহম্মদ ঘাট রোড ও বাজার ঘাট রোড ধরে বড়মা দর্শনের পর হরিদাস ঘোষ রোড ধরে বেরিয়ে যেতে পারবেন। বড়মার পুজোর ভিড় সামলাতে অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী মোতায়নের পাশাপাশি ড্রোন ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে। গোটা এলাকাকে মুড়ে ফেলা হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরায়।
বড়মার পুজোয় রেকর্ড ভিড়ের আশঙ্কা, কড়া পুলিশি নিরাপত্তা

