📝 নিজস্ব সংবাদদাতা, Todays Story: নাম আলাদা হলেও হারিকেন, টাইফুন এবং সাইক্লোন আসলে একই ধরনের ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়। ঝড়টি কোথায় তৈরি হচ্ছে, তার উপর নির্ভর করে নাম বদলে যায়। উত্তর-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে তৈরি হলে এই ধরনের শক্তিশালী ঝড়কে বলা হয় টাইফুন। আটলান্টিক ও উত্তর-পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে তৈরি হলে তাকে বলা হয় হারিকেন। ভারত মহাসাগর-সহ অন্যান্য অঞ্চলে সাধারণত সাইক্লোন বা ঘূর্ণিঝড় শব্দটি ব্যবহার করা হয়। সাধারণভাবে, বাতাসের সর্বোচ্চ স্থায়ী গতিবেগ ঘণ্টায় ১১৯ কিলোমিটার বা তার বেশি হলে ঘূর্ণিঝড়কে হারিকেন বা টাইফুনের শ্রেণিতে ফেলা হয়। তবে বিভিন্ন আবহাওয়া সংস্থার পরিমাপের সময়সীমা ও শ্রেণিবিভাগের পদ্ধতিতে কিছু পার্থক্য রয়েছে।
এল নিনোর সময় ক্রান্তীয় প্রশান্ত মহাসাগরের নির্দিষ্ট অংশের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায়। এর প্রভাবে বায়ুমণ্ডলের স্বাভাবিক প্রবাহে পরিবর্তন আসতে পারে। সেই পরিবর্তন বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাত, তাপমাত্রা এবং ঘূর্ণিঝড় তৈরির অনুকূল পরিস্থিতিকেও প্রভাবিত করতে পারে। এখন তেমনটাই ঘটছে।

