আমরাই আসল, কমিশনে দাবি জানিয়ে এল দুই তৃণমূলই! কার দখলে থাকবে ঘাসফুল প্রতীক? উপনির্বাচনের আগে রায় হবে?

📝 নিজস্ব সংবাদদাতা, Todays Story: সূত্রের খবর, কমিশনের কাছে বেশ কিছু নথিপত্র জমা দিয়েছেন ঋতব্রতেরা। আগে তৃণমূলের ওয়ার্কিং কমিটি কী ভাবে চলত, এখন কী ভাবে চলে, বৈঠকের কার্যবিবরণী সংক্রান্ত নথি দেওয়া হয়েছে। তবে বাইরে সে সব খোলসা করেননি বিরোধী দলনেতা। তাঁরা বেরোনোর পর নির্ধারিত সময়ে কমিশনের দফতরে ঢোকে কালীঘাট শিবির। উভয় তরফেরই পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধিদলকে ডাকা হয়েছিল। দু’পক্ষের সঙ্গে কমিশনের বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে।

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবির পরেই দলের অন্দরে ভাঙন স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। কালীঘাটের সঙ্গে দূরত্ব রচনা করে অনেকেই ঋতব্রতের নেতৃত্বে পৃথক শিবিরে যোগ দেন। মমতা এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্ব অস্বীকার করেন তাঁরা।বর্তমানে ঋতব্রতদের দাবি, তাঁরাই ‘আসল’ তৃণমূল কারণ, সংখ্যাগরিষ্ঠের সমর্থন তাঁদের দিকে রয়েছে। তবে কালীঘাট শিবিরও দলের নিয়ন্ত্রণ কিংবা প্রতীক ছাড়তে নারাজ। তাঁদের বক্তব্য, দল তৈরি করেছেন মমতা। তাঁর নামকে সামনে রেখেই প্রার্থীরা ভোটে লড়েছেন এবং জয়ী হয়েছেন। তাই তাঁকে অস্বীকার করা বেআইনি। এই সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান চেয়ে দুই শিবিরই নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়েছিল। তার ভিত্তিতে কমিশন দুই শিবিরের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *