ইতিহাসে প্রথম! ভারতে ইচ্ছা মৃত্যুর অনুমতি, চিরনিদ্রায় যাবেন সংজ্ঞাহীন হরিশ

📝 নিজস্ব সংবাদদাতা, Todays Story:ভারতবর্ষের বিচারবিভাগীয় ইতিহাসে এক নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিল সুপ্রিম কোর্ট। দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় থাকা গাজিয়াবাদের বাসিন্দা হরিশ রানা-র ক্ষেত্রে ‘প্যাসিভ ইউথানেশিয়া’ বা ইচ্ছা মৃত্যুর অনুমতি দিয়েছে শীর্ষ আদালত।

৪৪ বছর বয়সী হরিশ রানা ২০১৩ সালে চণ্ডীগড়ের পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়ে মাথায় গুরুতর চোট পেয়েছিলেন। এরপর থেকেই তিনি ‘পারসিস্টেন্ট ভেজিটেটিভ স্টেট’ (PVS)-এ অর্থাৎ সম্পূর্ণ সংজ্ঞাহীন অবস্থায় শয্যাশায়ী ছিলেন।

প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ হরিশ রানার জীবনদায়ী ব্যবস্থা সরিয়ে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছে। আদালত জানিয়েছে যে, সুস্থ হওয়ার কোনো সম্ভাবনা না থাকায় তাঁকে কৃত্রিমভাবে বাঁচিয়ে রাখা তাঁর মানবিক অধিকারের লঙ্ঘন।

হরিশের বাবা-মা বার্ধক্যের কারণে তাঁর সেবা করতে অক্ষম ছিলেন এবং তাঁর কষ্ট সহ্য করতে পারছিলেন না। তাই তাঁরা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়ে এই ইচ্ছা মৃত্যুর আবেদন জানিয়েছিলেন। এই সিদ্ধান্তের আগে এমস (AIIMS)-এর চিকিৎসকদের একটি বিশেষ বোর্ড গঠন করা হয়েছিল। তাঁদের রিপোর্ট অনুযায়ী, হরিশের মস্তিষ্কের ক্ষতি অপূরণীয় ছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *