📝 নিজস্ব সংবাদদাতা, Todays Story: পরিচালক পাবলো-র আসন্ন বাংলা চলচ্চিত্র “রঞ্জন আসছে” এক অনন্য আর্ট-হাউস কাজ, যা আজকের সামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতাকে কেন্দ্র করে নির্মিত; ছবির কাহিনিতে দেখা যায় লেখক জয় তার প্রকাশিকা নয়নতারা’র তাগিদে নিজের সেরা গল্প লিখতে গিয়ে স্ত্রী মন্দাক্রান্তাকে ‘রেবতী’ হিসেবে কল্পনা করে—একজন শান্ত, ধার্মিক ও অনুচ্চাকাঙ্ক্ষী নারী, কিন্তু বাস্তবে মন্দাক্রান্তার ভেতরে জন্ম নেয় এক প্রতিবাদী সত্তা ‘মায়া’, যে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তোলে; এই দ্বৈত সত্তার টানাপোড়েনের মাঝেই আসে নিশীথ, যার উপস্থিতিতে ‘রঞ্জন’-এর উদ্ভব—যে প্রতিবাদ, প্রতিরোধ ও এক জাগরণের প্রতীক; পরিচালক পাবলো জানান, ২০২২ সালে শুরু হওয়া এই ছবির চিত্রনাট্য ২০২৫-এর শেষে চূড়ান্ত রূপ পায় এবং বোলপুরে সম্পূর্ণ শুটিং সম্পন্ন হয়, কাস্ট ও ক্রু-র একনিষ্ঠ পরিশ্রম ছাড়া এই যাত্রা সম্ভব হতো না, এবং প্রথমে দেশ-বিদেশের চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শনের পর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পরিকল্পনা রয়েছে; ছবিতে অভিনয় করেছেন সত্যকাম আনন্দ (জয়), মৌ (মন্দাক্রান্তা), যুধাজিৎ সরকার (নিশীথ), শ্রীতমা দে (নয়নতারা), দীপক হালদার ও শুভঙ্কর ঘটক; যুধাজিৎ-এর কথায়, এটি এমন এক ছবি যা সমাজের সেই সব কথা বলে যা মানুষ বলতে ভয় পায়, শ্রীতমা মনে করেন এই ছবি আমাদের রাজনৈতিক ও সামাজিক কাঠামোর এক স্পষ্ট প্রতিচ্ছবি এবং “রঞ্জন কে” তা জানা আজ অত্যন্ত জরুরি, দীপক হালদার বলেন বর্তমান সময়ে যখন মানুষ প্রশ্ন করতে ভয় পাচ্ছে তখন এই ছবি সেই সাহস জোগায়, সত্যকাম আনন্দের কাছে এটি স্বপ্নপূরণের মতো, যেখানে ভাষার বাধা পেরিয়ে তিনি নিজের চরিত্রে প্রাণ দিয়েছেন, আর মৌ-এর ভাষায় “রঞ্জন একটি অনুভূতি, একটি বিপ্লব, একটি চিৎকার”—এই ছবি শুধু বিনোদন নয়, বরং এক সামাজিক দলিল, যা মানুষের আত্মসম্মান, আত্মচেতনা ও অধিকারের প্রশ্নকে সামনে নিয়ে আসে।
“রঞ্জন আসছে” — যখন প্রতিবাদই হয়ে ওঠে পরিচয়, আর নীরবতা ভাঙে এক চিৎকারে

