📝 নিজস্ব সংবাদদাতা, Todays Story:ঘটনাচক্রে, বুধবারই মমতার সঙ্গ ছেড়েছেন তাঁর দীর্ঘ দিনের রাজনৈতিক সঙ্গী মদন মিত্র। যোগ দিয়েছেন ঋতব্রত-তৃণমূলে। শিবির বদলেই তিনি বিঁধেছেন অভিষেককে। দাবি করেছেন, অভিষেকের জন্য অনেককে জেলে যেতে হয়েছে। অভিষেকের জন্য জেলে যেতে হয়েছে বলে অভিযোগ শিবির-বদল-করা অনুব্রত মণ্ডলেরও। ঠিক এমন এক সময়ে ফেসবুক লাইভে এসে ভাইপোর পাশে দাঁড়ালেন মমতা। দুষলেন দলত্যাগীদেরই।
বর্ষীয়ান নেত্রীর অভিযোগ, পুলিশ দিয়ে অনেক নেতাকে ভয় দেখানো হচ্ছে। মমতার কথায় ওই নেতা-কর্মীদের বলা হচ্ছে, “হয় সেটিং কোম্পানিতে নাম লেখান, নয় তো জেলে যান।” দলের নিচুতলার অনেক কর্মী নিজেদের এলাকায় মিটিং করতে পারছেন না বলেও অভিযোগ নেত্রীর। মমতা জানান, ওই কর্মীদের জন্য তাঁর কালীঘাটের অফিস সবসময় খোলা রয়েছে। তৃণমূলের হারের পর থেকে প্রথম সারির একের পর এক নেতা মমতার সঙ্গ ছেড়েছেন। এর পরেও যাঁরা মমতার সঙ্গে রয়ে গিয়েছেন, তাঁরাই তৃণমূলের ‘সোনার খনি’ বলে মনে করেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমি যদি নিজে সেটিং করে নিতাম, তা হলে তো এই অত্যাচার সহ্য করতে হত না আমার দলের কর্মীদের।”
তৃণমূলের ভরাডুবির পর থেকেই অভিষেকের বিরুদ্ধে আঙুল তুলতে শুরু করেছিলেন দলেরই একাংশ। যাঁরা মমতার সঙ্গ ছেড়েছেন, তাঁদের বেশির ভাগই দলের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য দায়ী করেছেন অভিষেককে। তবে বুধবার মমতা ফের বুঝিয়ে দিলেন, তিনি অভিষেকের পাশেই রয়েছেন। দলত্যাগীদের বিঁধে বললেন, “অভিষেক অনেক খারাপ আপনাদের কাছে। ওটা বাহানা হয়ে গিয়েছে। অভিষেকের বৌ যদি দেড় বছরের বাচ্চাকে নিয়ে সিবিআই অফিসে যেতে পারে… একটু সেটিং করে নিলে সবচেয়ে রিলিফ হতে পারত। আপনারা বাহানা দেখিয়ে বলছেন, অভিষেক আপনাদের আয়না, তাই আপনারা চলে যাচ্ছেন। এটা আপনাদের বাহানা। যদি আপনাদের চোখে ও (অভিষেক) কোনও অন্যায় করে থাকে, অভিষেকের সব অন্যায় ক্ষমা হয়ে গিয়েছে। সে আজ লড়ে যাচ্ছে বাঘের মতো।”

