📝 নিজস্ব সংবাদদাতা, Todays Story: দীর্ঘ টালবাহানার অবসান। পুজোয় এ বার পশ্চিমবঙ্গবাসীর পাতে পড়বে বাংলাদেশি ইলিশ। দুর্গাপুজোর আগে একটু-আধটু নয়, রাজ্যে বাংলাদেশের ইলিশ আসছে তিন হাজার টন!
শনিবার গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রক একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। পশ্চিমবঙ্গে তিন হাজার টন ইলিশ পাঠানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে সেখানে। কিন্তু বাংলাদেশের ইলিশ বাজারে এলেও মধ্যবিত্ত কি তার নাগাল পাবে? এ বাংলার বাজারে পদ্মার এক কেজি ইলিশের দাম কত হবে? সে সব নিয়ে এখন বাঙালির কৌতূহল। এর আগে বাংলাদেশ সরকার জানিয়েছিল, উৎসবের মরসুমে এ পার বাংলায় ইলিশ পাঠানো হবে না। শেষ মুহূর্তে কেন সেই সিদ্ধান্ত বদল হল তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।
ভারত-বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্ক মজবুত করার চেষ্টাতেই কি মত-বদল? কূটনীতিবিদদের একাংশের মতে, উৎসবের আবহে ভারতকে ইলিশ না পাঠানোর সিদ্ধান্তে অনেকের মনেই প্রশ্ন উঠেছিল। যার প্রভাব পড়তে পারত দু’দেশের সম্পর্কে। বাংলাদেশ সরকার শনিবারের সিদ্ধান্তে কূটনৈতিক ভাবে সব দিকই সামাল দিল বলেই মনে করছেন ওই অংশ।
তবে মৎস্য ব্যবসায়ীরা ‘কূটনীতি’ নিয়ে আপাতত ভাবতে নারাজ। পদ্মার ইলিশ এ দেশে আসছে, সেই মাছ বাঙালির হেঁশেল অবধি পৌঁছে দিতে হবে, আপাতত তার প্রক্রিয়া নিয়ে প্রস্তুতি সেরে রাখছে ভারতের ‘ফিশ ইম্পোর্টাস অ্যাসোসিয়েশন’ (মৎস্য আমদানি সংগঠন)। ওই সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে, উৎসবের জন্য প্রতি বছর ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এ পার বাংলায় ইলিশ চলে আসে। এ বছর তা এখনও আসেনি। শনিবার বাংলাদেশ সরকার ইলিশ পাঠানোর ছাড়পত্র দেওয়ায় খুশি ‘ফিশ ইম্পোর্টাস অ্যাসোসিয়েশন’। সংগঠনের সম্পাদক সৈয়দ আনোয়ার মকসুদ বলেন, ‘‘মাছ আসছে নিশ্চিত। একটা জটিলতা তৈরি হয়েছিল। এখন সেই জটিলতা কেটে গিয়ে ইলিশ আসছে। আমরা খুশি। উৎসবের মরসুমে পদ্মার ইলিশ এ বঙ্গের বাঙালির পাতে পড়বে।’’

